গাইবান্ধায় মন্দিরের সভাপতির বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
আসাদুজ্জামান রুবেল
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১০ দুপুর

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দিরের সভাপতি মিলন কুমার বর্মনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও একক আধিপত্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
(৪ অক্টোবর) রোববার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার সাধারণ সনাতনী সমাজের আয়োজনে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হেম চন্দ্র বর্মন। তিনি জানান, একুশে জুলাই দুই হাজার ছয় সালে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্মতিতে মাত্র এক বছরের জন্য ফুলছড়ি উপজেলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিলন কুমার বর্মন কে সভাপতি করে কমিটি গঠন করা হয়।
পরে মিলন কুমার বর্মন আওয়ামীলীগ সরকারের ছত্রছায়ায় ১ বছরের জন্য গঠিত কমিটিকে গত ২০ বছর ধরে আঁকড়ে রেখেছেন এবং পরিবারতন্ত্র ভাবে চালাচ্ছেন। তিনি আরো অভিযোগ করেন,এ যাবত মন্দির সংস্কারের নামে সরকারি- বেসরকারি অনুদান, মন্দিরের দুইটি দোকান ভাড়ার অর্থ,প্রতি দুর্গাপুজায় দুই-তিন লক্ষ টাকা প্রনামী সহ প্রায় পনেরো লক্ষ টাকা আত্নসাৎ করেছেন তিনি। সাধারণ মানুষ ও সনাতন সম্প্রদায়ের লোকজন হিসাব চাইলে তাদের ভয়-ভীতি ও মিথ্যা মামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এরপর গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সাধারণ সনাতনীরা গণতান্ত্রিকভাবে নতুন কমিটি গঠন করলেও মিলন কুমার বর্মণ তা না মেনে উল্টো সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমুলক মামলা দায়ের করেছেন।
১৮৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দিরটি। ১৭৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী কালীর বাজার কেন্দ্রীয় মন্দির আজ মিলন কুমার বর্মনের একক আধিপত্য ও নানা অনিয়মের কারনে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। সংবাদ সম্মেলনে,সাধারন সনাতনীদের গণতান্ত্রিক কমিটিকে বৈধতা দেওয়াসহ মিলন কুমার বর্মণের বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে তাঁকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের ভুষণ কুমার দাস,জগদীশ বর্মন,খিলন রবিদাসসহ গণমাধ্যমকর্মীরা।





_medium_1791188478.jpg)
_medium_1791188228.jpg)
