শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যা মামলায় বিএনপির প্রার্থী রুবেল সহ ৭৩৭ জনকে আসামি করে মামলা
রফিক মজিদ, শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৭ দুপুর
_original_1769855150.jpg)
শেরপুরে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় ২৩৪ জনের নামিয় এবং আরো ৫০০ জন অজ্ঞাত নামীয় আসামি করে নিয়তি থানায় মামলা ডায়াল করা হয়েছে। মানলার বাদী নিহত জামাত নেতা মাওলানা রেজাউল করিম এর স্ত্রী মোছাঃ মার্জিয়া। মামলায় প্রধান হুকুমের আসামি করা হয়েছে ওই আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলকে। এ তথ্য নিশ্চত করেছে জামায়াত ইসলামীর শেরপুর জেলা আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান।
৩০ জানুয়ারি শুক্রবার মধ্যরাতে ঝিনাইগাতি থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রথমে বিতণ্ডা পরে তা দফায় দফায় সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষের এক পর্যায়ে সন্ধ্যার দিকে ঝিনাইগাতি বাজারে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে শেরপুর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
জেলা আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
এ বিষয়ে বিএনপি'র প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটেছে তা জামাতের কারণেই হয়েছে। এখানে আমাকে যে আসামি করা হয়েছে তার স্পষ্ট না, কারণ আমি ওই সময় ঘটনাস্থলে ছিলাম না। নির্বাচনকে ব্যাঘাত ঘটানোর জন্যই জামায়াত পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।


_medium_1769856116.jpg)

_medium_1769855150.jpg)


