শেরপুরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে জামায়াত নেতার রেজাউল করিম এর জানাযা সম্পন্ন
রফিক মজিদ, শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৩ দুপুর

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে পাঁচ টার দিকে র্যাব পুলিশ বিজিপি সদস্যদের উপস্থিতিতে হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শ্রীবরদী কলেজ মাঠে জানাজা সম্পন্ন হয়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ শেরপুর ৩ আসনের নির্বাচনী ইস্তেহার পাঠকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি কর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। এতে করে দু’পক্ষের শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়। এর মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ১৪ জন কর্মীকে শেরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করানোর পর ৩ জনের অবস্থা আশংকা জনক হলে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামায়েত নেতা রেজাউল করিম মৃত্যুবরণ করেন।
এসময় শেরপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান এবং সেক্রেটারি জেনারেল ও শেরপুর-৩ আসনের এমপি প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল এর নেতৃত্বে শেরপুর- ১(সদর) আসনের জামায়াতের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ি) আসনের জামায়াতের প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া সহ জামায়াতের ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় নেতাকর্মী এবং হাজার হাজার সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম এর জানাযা নামাজ সম্পন্ন হয়েছে। জানাযায় দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও নিহতের আত্মীয় স্বজন ও স্থানীয় অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন।
বেলা পাঁচটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে জামায়াত নেতার লাশ শেরপুর হয়ে শ্রীবরদী শহরে প্রবেশ করলে শ্রীবরদী শহরে উৎসুক জনতা এবং জামায়াত নেতাকর্মীদের ভিড়ে শহরের সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় পুরো শহরে শোকের ছায়া নেমে আসে।
পড়ে রাতে তার গ্রামের বাড়ি গোপালখিলাস্থ কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। এ সময় আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এবং জেলা ও উপজেলা থেকে আগত জামাত নেতা কর্মীরা ভিড় করেন। জানাজার সময় পুরো শহরে সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও পুলিশ জোরদার করা হয়।


_medium_1769856116.jpg)

_medium_1769855150.jpg)


