বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২
শিরোনাম

শেরপুরে কর্ম ও চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্যের প্রতিবাদে হরিজনদের সংবাদ সম্মেলন


  রফিক মজিদ, শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ :  ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৭ দুপুর

শেরপুরের হরিজনদের কর্ম ও ঢাকুরীর ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরিকরণ এবং সদ্য গৃহিত নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত ও বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

২৮ জানুয়ারি বুধবার রাতে শেরপুরে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দলিত সম্প্রদায়ের নারীপুরুষ এ সম্মেলন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা পরীক্ষার খাতা পুনঃ মূল্যায়ন দেখতে চান। এছাড়া অবিলম্বে ওই চাকুরির বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়া হলে শেরপুরসহ সারা দেশে কর্মসূচি দেয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে শেরপুর দলিত সম্প্রদায়ের সংগঠন নেতৃবৃন্দরা জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে জানায়, গত ২৩ ডিসেম্বর শেরপুর জেলা প্রশাসক অফিসে ছয়জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। এখানে ২৬ জন হরিজন সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ আবেদন করলে একজনও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি। হরিজন সম্প্রদায়ের লোকজনের দাবী চাকুরিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেনী পাশ চাওয়া হয়েছে। অথচ ২৬ জন আবেদন কারিদের মধ্যে অনেকের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি থেকে অনার্স পর্যন্ত কিন্তু হরিজনদের মধ্যে কেউ লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি বলে প্রশাসন জানিয়েছে। এনিয়ে শেরপুর হরিজন সম্প্রদাযের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সাংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শেরপুর হরিজন যুব কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি বিপ্লব হরিজন। এ সময় শেরপুর হরিজন যুব কমিটির সভাপতি সঞ্জীব হরিজন ও সাধারণ সম্পাদক মিলন হরিজন এবং নারী সম্পাদিকা মুক্তি হরিজন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে মুক্তা হরিজন বলেন, শেরপুরে ইতিপূর্বে অনেক অফিসে ঝাড়ুদার ও সুইপার নিয়োগ করা হলেও আমাদের কেউই সেখানে চাকরি পায়নি। অথচ ওই সব নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আমাদেরকে দিয়ে তাদের ভাড়াটিয়া হিসেবে কাজ করতে হয়। অর্থাৎ নিয়োগ প্রাপ্ত ব্যক্তি নিজে ঝাড়ুদার বা সুইপারের কাজ না করে আমাদেরকে দিয়ে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে তাদের বদলে কাজ করানো হয়।

শেরপুর জেলা দলিত সম্প্রদাযের সভাপতি সুবাস বিশ্বাস বলেছেন, আমাদের এত গুলো শিক্ষিত নারীপুরুষ পরিচ্ছন্নতা কর্মীর নিয়োগ পরীক্ষা দিয়েছে, কেউ টিকলো না। এটা অবিশ্বাস্য, অগ্রনযোগ্য। আমাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত