বিদ্যুৎ চলে গেলেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান মাধবপুরের পোল্ট্রি খামারিরা
আরবান ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:২০ দুপুর
_original_1786854043.jpg)
প্রচণ্ড গরমে মুরগিগুলো হাঁপিয়ে ওঠে, অন্যদিকে বন্ধ হয়ে যায় ফ্যান, পানির পাম্প ও কুলিং ব্যবস্থা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় মুরগির মৃত্যু, উৎপাদন কমে যাওয়া এবং বাড়তি খরচ—সব মিলিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।
খামারিদের অভিযোগ, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে-রাতে মিলিয়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। গরমের সময় বিদ্যুৎ না থাকলে খামারের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তখন মুরগিগুলো গরমে হাঁপাতে থাকে। পানি সরবরাহও ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাধ্য হয়ে অনেক খামারি জেনারেটর চালাচ্ছেন। এতে বাড়ছে ডিজেল খরচ, কমছে লাভ।
উপজেলার পরমানন্দপুর গ্রামের খামারি আশফাক হক বলেন, আমার খামারে প্রায় ৩ হাজার ব্রয়লার মুরগি। বিদ্যুৎ না থাকলে গরমে মুরগিগুলো হাঁপিয়ে ওঠে, অনেক মারাও গেছে। জেনারেটর চালিয়ে খামার সচল রাখতে হচ্ছে। এতে খরচ বেড়ে যাওয়ায় লাভ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
নোয়াপাড়া ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের খামারি মিনহাজুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে ফ্যান ও পানির ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। গরমে মুরগি সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। জেনারেটর চালিয়ে খামার সচল রাখতে বাড়তি খরচ হচ্ছে।
ছাতিয়াইন ইউনিয়নের খামারি ফেরদৌস মিয়া বলেন, ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় খামার পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে অনেক খামারি লোকসানে পড়ে খামার বন্ধ হয়ে যেতে পারে।



_medium_1786853831.jpg)



