শেরপুরের নিখোঁজের ৮ দিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, আটক ১৯
রফিক মজিদ, শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩৪ রাত

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নিখোঁজের আট দিন পর বিল্লাল হোসেন নামে এক ধান ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর গারো সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ সহ ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
১২ আগস্ট বুধবার দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলার পূর্ব গজারীকুড়া এলাকার রঞ্জনা ঝর্ণার পাশে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় বিল্লাল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার জারুলতলা এলাকার বাসিন্দা ও ধান ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন চলতি মাসের ৪ আগস্ট নিখোঁজ হন। বুধবার দুপুরে স্থানীয় কৃষকেরা জমিতে কাজ করতে গেলে খালের পাশ থেকে দুর্গন্ধ পান। পরে সন্দেহ হলে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান তারা। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
পরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে স্থানীয় জনতা পূর্ব গজারীকুড়া এলাকার ওয়াসিম ম্রংসহ নারী-পুরুষ মিলিয়ে ১৯ জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
এদিকে এই ঘটনাকে স্থানীয় একটি কচক্রী মহল আদিবাসী সম্প্রদায়ের উপর হামলা ও বাড়ি ঘর লুটপাটের গুজব ছড়ায়।
এদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার সহ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম নূর মোহাম্মদ।
তবে জেলা পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম বলেন, আজ দুপুরে জানতে পারি এখানে বিল্লাল হোসেন নামে একজনের মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়েছে সেজন্য আমরা ঘটনাস্থলে আসি। গত ৪ তারিখে ঝিনাইগাতী থানায় বিল্লাল হোসেন নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ ছিলো। আমরা এবং নিখোঁজের আত্মীয়-স্বজনরা খোঁজাখুঁজির পর আজ তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই সাথে নিহতের আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশী ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ১৯ জনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। আমরা তাদেরকে যাচাই-বাছাই করে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।






_medium_1786535542.jpg)
