পূর্বধলায় এসএসসিতে গড় পাসের হার ৬০.১০%, শীর্ষে আগিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
নাহিদ আলম, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩০ রাত
_original_1786372220.jpg)
নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬০ দশমিক ১০ শতাংশ।
উপজেলার ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২ হাজার ৪২৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৪৬০ জন। পাশের হারের ভিত্তিতে উপজেলার শীর্ষস্থান দখল করেছে আগিয়া উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯০ দশমিক ২০ শতাংশ।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রকাশিত ফলাফল ও মেধা তালিকার পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে।
ফলাফলে দেখা যায়, আগিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৬ জন। ৯০ দশমিক ২০ শতাংশ পাসের হার নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
৮৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ পাসের হার নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ডা. মোহাম্মদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।
তৃতীয় স্থানে থাকা পূর্বধলা জে এম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৪১ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৮০ দশমিক ৮০ শতাংশ।
এদিকে ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ পাসের হার নিয়ে জালশুকা কুমুদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে চতুর্থ স্থানে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৮৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পঞ্চম স্থানে থাকা হোগলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭৫ জন। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৭৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
অন্যদিকে উপজেলার ফলাফলের তালিকায় সবচেয়ে নিচে রয়েছে বিষমপুর উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৯ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র একজন। পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ১১ শতাংশ।
ফলাফল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক আব্দুল বারেক। তিনি বলেন, “আমাদের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৮ জন খুবই ভালো ছিল, কিন্তু কীভাবে এমন রেজাল্ট হলো বুঝতে পারছি না। আমি মানসিকভাবে খুবই ভেঙে পড়েছি। তবে সামনে ভালো কিছু করার চেষ্টা থাকবে।”
এছাড়াও বড়রিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ২২ দশমিক ৮১ শতাংশ। নবী হোসেন খান উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, পাসের হার ৩১ দশমিক ১৫ শতাংশ।







