ফেসবুক লাইভে বক্তব্যের প্রতিবাদে গাইবান্ধায় তিন সনাতনী সংগঠনের যৌথ সংবাদ সম্মেলন
আসাদুজ্জামান রুবেল
প্রকাশ : ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৬ দুপুর

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হরিদাস চন্দ্র তরণীদাসের ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্য ও আচরণের প্রতিবাদে যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলার তিনটি সনাতনী সংগঠন।
বুধবার (২ জুলাই) গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি বিরতি রঞ্জন সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সাধারণ সম্পাদক সুজন প্রসাদ, সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দাস অভি, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতি রণজিৎ বকসী সূর্য, সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল সাহা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা আহ্বায়ক বিপুল কুমার দাস, সদস্য সচিব বিষ্ণু কুমার দাসসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পলাশবাড়ীর রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরে স্থানীয় সনাতনী সম্প্রদায়ের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই হরিদাস চন্দ্র তরণীদাস ভগবান রামের মূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসনের উদ্যোগে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্যে আরও অভিযোগ করা হয়, ওই মতবিনিময় সভায় সনাতন ধর্মীয় নেতাদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে হরিদাস চন্দ্র তরণীদাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে মানহানিকর ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য দেন। সংগঠনগুলোর দাবি, তার এ ধরনের বক্তব্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের আশঙ্কা তৈরি করতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে হরিদাস চন্দ্র তরণীদাসের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে একটি পরিচালনা বোর্ড গঠনের দাবি জানানো হয়।






_medium_1782989001.jpg)
