শেরপুরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢলের পানিতে লাকড়ি সংগ্রহ
রফিক মজিদ, শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৯ দুপুর

শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি নদীগুলোতে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এর শুরুতে উজান থেকে পাহাড়ি ঢল নেমে আসে। এ সময় জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে নদীর তীরবর্তী গ্রাম ও ফসলের মাঠ তলিয়ে যায়। যদিও এই পাহাড়ি ঢলের পানি ২৪ ঘন্টার মধ্যে আবার নিমে যায়।
চলতি বছর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের উজান থেকে জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই, চেল্লাখালি, ঝিনাইগাতী উপজেলা মহারশি এবং শ্রীবরদী উপজেলার সোমেশ্বরী নদীতে চার দফা পাহাড়ি ঢল নামে।
এ সময় ওই ঢলের পানিতে অসংখ্য গাছের গুড়ি ও মরা গাছের ডালপালা ভেসে আসে। ওই গাছের গুড়ি ও ঢালপালা সংগ্রহ করতে নদী তীরবর্তী নারী-পুরুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঢলের পানিতে নেমে পড়ে। ইতিপূর্বে পাহাড়ি ঢলে নেমে আসা গাছ সংগ্রহ করতে যেয়ে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
এই কাঠ বা লাকড়ি সংগ্রহের বিষয়ে স্থানীয়রা জানায়, আমরা গরীব মানুষ, বাড়ি ঢলে প্রতিবছর ভারত থেকে অনেক মূল্যবান গাছ এবং ডালপালা চলে আসে। এগুলো সংগ্রহ করে নিজেদের ঘরের কাজে এবং রান্নার জন্য লাকড়ি হিসেবে ব্যবহার করে থাকি। বাজার থেকে লাকড়ি কিনতে গেলে অনেক টাকা লাগে। তাই টাকা বাঁচাতে জীবনের ঝুঁকিততো একটু নিতেই হবে বলে জানান লাকড়ি সংগ্রহকারী অনেকেই।

_medium_1784610101.jpg)
_medium_1784609736.jpg)




