শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২
শিরোনাম

পূর্বধলায় জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে বিশাল নির্বাচনী জনসভা 


  মো: জায়েজুল ইসলাম

প্রকাশ :  ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৯ রাত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনার পূর্বধলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম।

উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুল হক খান নয়নের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম ভুঁইয়া, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছ, সাবেক জেলা আমির মাওলানা এনামুল হক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। এ সময় ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য শরিক দলের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াত মনোনীত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সহকারী অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা এটিএম মাসুম বলেন, “দুর্নীতিমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করা প্রয়োজন।” তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রার্থী মাছুম মোস্তফা তার বক্তব্যে বলেন, দেশে ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলবাজির সংস্কৃতি বন্ধ করতে হলে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা জরুরি। তিনি এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চান। নির্বাচিত হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দাঁড়িপাল্লা জয়ী হলে কোনো ব্যবসায়ীকে চাঁদা দিতে হবে না, তারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন।

সমাবেশ শেষে জামায়াতের প্রতীক দাঁড়িপাল্লার পক্ষে একটি বিশাল র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

সমাবেশকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ছোট-বড় মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে উপস্থিত হন। হাজার হাজার নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে পুরো মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত