শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২
শিরোনাম

পূর্বধলায় গরু চুরির চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চুরির গরু ফেরত নিয়েও বিপাকে 


  মো: জায়েজুল ইসলাম

প্রকাশ :  ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪১ দুপুর

নেত্রকোনায় পূর্বধলায় গরু চুরি নিয়ে চাঞ্চল্যকর ঘঠনা ঘটেছে। চুরিকৃতগরু ফেরত পাওয়া নিয়েও ঘঠেছে বিপত্তি। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘঠনাটি ঘঠেছে উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের ঘাগড়া গ্রামে। 

জানা গেছে গত রবিবার (১১ জানুয়ারি) দিনগত রাতে ঘাগড়া ইউনিয়নের ঘাগড়া গ্রামের আব্দুল লতিফ তনু মিয়ার গোয়ালঘর থেকে একটি বকনা বাছুর ও গাভী গরু চুরি করে নিয়ে যায় চুরের একটি সংঘবদ্ধ চক্র। ঘঠনার দুইদিন পর, গত বুধবার, সকালে পার্শ্ববর্তী গ্রাম চরপাড়া এলাকায় দুটি গরু পাওয়া গেলেও একটি গরু তনু মিয়ার নিজের বলে সনাক্ত করলেও অপরটি তার নয় বলে জানায়। এ নিয়ে নতুন করে আরো আলোচনার জন্মদেয়। অনেকেই বলাবলি করেন চোর চক্রের কাছে আরো গরু থাকতে পারে।

অব্দুল লতিফ তনু মিয়া বলেন গত রবিবার রাতে আমার গোয়াল ঘরে ৪টি গরু বাধা ছিল। সকালে গিয়ে দরজা খোলে দেখেন সেখান থেকে একটি লাল রং এর গাভি (৬বছর) ও একটি লাল রংগের বকনা বাছুর (১৩ মাস) নেই। পরে আশে পাশে খুজে বোঝতে পারেন তার গরু দুটি চুরি হয়ে গেছে। তিনি আরো জনান, গাভীটি ৬ মাসের অন্তসত্তা। পরে বিভিন্ন এলাকা ও গরুবহাটে খোঁজ করেও হদিস পাচ্ছিলেন না। পরে বুধবার সকালে জানতে পারেন পাশ্ববর্তী গ্রাম চরপাড়ায় একটি ফিসারীর কাছে দুটি গরু বাধা অবস্থায় পাওয়া গেছে।  সেখনে গিয়ে দেখন গরু দুটির মধ্য্যে বকনা বাছুরটি তার নিজের আর গাভী গরুটা চুরি যাওয়া তার গরু নয়।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে তিনি তার বকনা বাছুরটি নিয়ে আসেন। আর অপর গাভি গরুটি স্থানীয় আবুল হাসিমের জিম্মায় রাখা হয়।

চরপাড়া গ্রামের আবুল হাসিম জানান, বুধবার ভোরে তাদের গ্রামের সোহান মিয়ার ফিসারির পাশে একটি দেশী প্রজাতির লাল রঙ্গের গাভী গরু (বয়স আনুমানিক ৫বছর) ও একটি লাল রংগের বকনা বাছুর (বয়স আনুমানিক ১৫মাস) বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী মড়ল মিয়া সহ অনেকেই। পরে এলাকায় জানাজানি হলে তনু মিয়াকে খবর দেয়া হয়। তিনি এসে সবার উপস্থিতিতে দুটি গরুর মধ্যে বকনা বাছুরটি তার নিজের বলে সনাক্ত করেন এবং বাড়ীতে নিয়ে যান। বাকী গাভী গরুটি এলাকা বাসী আমার জিম্মায় রাখতে বলেন। উপযুক্ত প্রমান সাপেক্ষে প্রকৃত মালিককে ফরেত দেয়া হবে।


এই ঘঠনায় নানা আলোচনার জন্মদেয়। বাইঞ্জা গ্রামের এমদাদুল ইসলাম আকন্দ কামাল বলেন, তনু মিয়ার গরু চুরির ঘঠনার পর এলকাবাসীকে নিয়ে মিটিং করে গরু উদ্ধারে বিভিন্ন এলাকায় ব্যপক তৎপরতা চালানো হয়। এক পর্যায়ে ঘটনার দুইদির পর  দুটি গরু খোলা মাঠে পাওয়া যায়। তার মধ্যে একটি গরু তনু মিয়ার  হলেও অপরটি কার এখনো জনা যায়নি। এতে ধারনা করা হচ্ছে ওই চক্রের কাছে আরো গরু থাকতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত