চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে মোহাম্মদ কামাল হোসেনের দায়িত্ব গ্রহণ
মো: মিনারুল ইসলাম
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৩৭ দুপুর

মঙ্গলবার, ১৮ই নভেম্বর, চুয়াডাঙ্গা জেলায় এক নতুন প্রশাসনিক অধ্যায়ের সূচনা হলো। সরকার কর্তৃক নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মোহাম্মদ কামাল হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।
একই দিনে তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবেও অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর যোগদানকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন কার্যালয়সহ গোটা চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
নতুন জেলা প্রশাসকের যোগদান উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন কার্যালয় এক উৎসবমুখর এবং আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশ ধারণ করে। জেলার বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের জনগণ নবাগত ডিসি মহোদয়কে অত্যন্ত উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন এবং জেলার সকল সরকারি দপ্তরসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যবৃন্দ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ। বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। চুয়াডাঙ্গা জেলার সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ নতুন ডিসি মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
এই বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে জেলাবাসী নতুন ডিসি মহোদয়ের কাছ থেকে একটি গতিশীল ও জনবান্ধব প্রশাসন আশা করছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর এক সংক্ষিপ্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ বক্তৃতায় মোহাম্মদ কামাল হোসেন চুয়াডাঙ্গার জনগণের কাছে তাঁর প্রশাসনিক লক্ষ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, "চুয়াডাঙ্গা জেলার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সরকারের লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।" নবাগত জেলা প্রশাসক তাঁর মহতী উদ্যোগে জেলার সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।
তিনি মনে করেন, একটি জেলার সার্বিক উন্নয়ন কেবল প্রশাসনের একক প্রচেষ্টায় সম্ভব নয়, বরং সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই তা অর্জিত হতে পারে।
চুয়াডাঙ্গার জনগণ আশা করছেন যে, নতুন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেনের গতিশীল ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গা জেলা উন্নয়নের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং তাঁর নতুন কার্যকালের মাধ্যমে এই জেলার জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।






_medium_1782122332.jpg)
