ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
শিরোনাম

দুর্গাপুরে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা, বেড়েছে আবাদ

  নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ :  ১৪ জানুয়ারী ২০২৪, ০৭:০৭ সকাল

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এবার অন্যান্য বারের তুলনায় সরিষার আবাদ হয়েছে সবচেয়ে বেশি। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন চাষিরা। উপজেলায় এবার জমির পর জমিতে সরিষার আবাদ দেখা গেছে।

গত ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ৩২০ হেক্টরে সরিষার আবদ হয়েছিল। এ বছর প্রায় ৫শত হেক্টরে সরিষার আবাদ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রায় ১শত হেক্টর বেশি জমিতে সরিষা উৎপাদিত হবে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বারমারি, ভবানীপুর, কুল্লাগড়া ইউনিয়নের বিজয়পুর, বামনপাড়া, কাকড়াকান্দা, গাওকান্দিয়া ইউনিয়নের জাগিরপাড়া, নাওদাড়া চন্ডিগড় ইউনিয়নের নোয়াগাও, ফুলপুর, কেরণখলা, ফেঁচিয়া গ্রামের কৃষকরা সরিষা আবাদ করেছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে দুর্গাপুর উপজেলার প্রায় সব ইউনিয়নেই ২ হাজার ৫শ জন কৃষককে বিনামূল্যে প্রণোদনার সরিষা বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। প্রত্যেক কৃষককে ১ কেজি করে সরিষার বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার প্রদান করা হয়। কৃষি প্রনোদনা দেয়ার কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরিষার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বছর সরিষার ফলনও বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সেইসাথে কৃষক সরিষার ভালো দাম পেয়ে লাভবানও হবেন।

কৃষক হযরত বেপারি বলেন,কৃষি বান্ধব সরকারকে ধন্যবাদ জানাই আমাদের প্রনোদনা দেয়ার জন্য। আমরা বিনামুল্যে সার, বীজ পাওয়ায় সরিষা আবাদে আগ্রহ হয়েছি। শুধু তাই নয়, সামনের মৌসুম থেকে আমাদের এলাকার কৃষকগণ মধু চাষেও আগ্রহ প্রকাশ করবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ কর্মকর্তা কামরুজ্জাসান জানান,এ বছর আবহাওয়া সরিষা আবাদের অনুকুলে ছিল। তাই বিভিন্ন এলাকার কৃষকগণ সরিষার আবাদে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের আক্রমন হয়নি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ নিয়ে দুর্গাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার নিপা বিশ্বাস জানান,এ বছর দুর্গাপুর উপজেলায় প্রায় ৫শত হেক্টরে সরিষার আবাদ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রায় ১শত হেক্টর বেশি জমিতে সরিষা আবাদ করা হয়েছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সব সময়ই কৃষকদের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত