৩৬ তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে জামালপুরে আলোচনা সভা
মো: খোরশেদ আলম, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪২ দুপুর

বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ৩৬ তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইউসুফ আলী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামালপুরের জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ রোকোনুল ইসলাম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জামালপুরের সিভিল সার্জন, শহর সমাজসেবা অফিসার ফারুক মিয়া, জামালপুর সদরের উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, জাতীয় যুব পুরস্কার প্রাপ্ত উদ্যোক্তা ও যুব সংগঠক সূর্য তোরণ সমাজ সেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম, সূর্য তোরণ সমাজ সেবা সংস্থার ইয়ুথ লিডার মোঃ বিলাত আলী, বাংলাদেশ প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তাগন।
সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন প্রবীণ দিবস-২০২৬, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রবীণদের অধিকার, মর্যাদা, সুস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জাতীয় যুব পুরস্কার প্রাপ্ত উদ্যোক্তা ও যুব সংগঠক 'সূর্য তোরণ সমাজ সেবা সংস্থা'র সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম বলেন এ বছরের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য “দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা”। দীর্ঘায়ু মানুষের জীবনে নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি বার্ধক্যজনিত নানা চ্যালেঞ্জও তৈরি করছে। তাই প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জীবনকে আরও নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
প্রবীণরা পরিবার ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁদের দীর্ঘ জীবনের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেক প্রবীণ শারীরিক অসুস্থতা, একাকিত্ব, আর্থিক অনিশ্চয়তা ও সামাজিক অবহেলার মুখোমুখি হন। এ কারণে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহানুভূতিশীল আচরণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা ও পারিবারিক সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।
আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের এই দিনে প্রবীণদের প্রতি সম্মান ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার পাশাপাশি তাঁদের অভিজ্ঞতাকে সমাজের উন্নয়নে কাজে লাগানোর আহ্বান জানানো হচ্ছে। কারণ আজকের তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের প্রবীণ। তাই প্রবীণদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু তাঁদের জন্য নয়, একটি মানবিক ও দায়িত্বশীল সমাজ গঠনেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।







