কালবৈশাখীর তাণ্ডব, ৪৮ ঘন্টা বিদ্যুৎহীন মাদারগঞ্জের ৫০ হাজার মানুষ
আকন্দ সোহাগ, মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৩ মে ২০২৬, ০১:০৭ দুপুর

জামালপুরের মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর ঝড়ে ৪৮ ঘন্টা বিদ্যুৎহীন অন্তত ২০টি এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ।
গত বৃহস্পতিবার ( ২১ মে) সকালে কালবৈশাখী ঝড়ের পর থেকে এসব এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। এলাকাগুলো হলো পৌরসভার গাবেরগ্রাম,বনচিথলিয়া,বালিজুড়ী নামাপাড়া,বানীকুঞ্জ,কড়ইচড়া ইউনিয়নের মহিষবাথান,লালডোবা, ঘুঘুমারী,বি নোদটঙ্গী, নলছিয়া,
চরপাকেরদহ ইউনিয়নের পাকরুল,হিদাগাড়ী,পাকরুল,কোয়ালী কান্দি,গুনারীতলা ইউনিয়নের বাকুরচর আংশিক,জোড়খালী ইউনিয়নের খিলকাটিসহ ২০টি গ্রাম। ৪৮ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ না ফেরায় প্রায় অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছেন প্রায় মানুষ। কড়ইচড়া ইউনিয়নের মহিষবাথান এলাকার বাসিন্দা ইউসুফ হোসেন বলেন, “৪৮ ঘন্টা ধরে বিদ্যুৎ নেই। মোবাইল ফোন চার্জ দিতে না পেরে যোগাযোগে ভোগান্তি হচ্ছে। ফ্রিজের খাবার ও নষ্ট হয়ে গেছে । বিনোদটঙ্গী এলাকার রনি আহমেদ বলেন,টানা বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবাও ব্যাহত হচ্ছে। এতে যোগাযোগসহ দৈনন্দিন কাজে চরম সমস্যা হচ্ছে।
পৌরসভার গাবেরগ্রাম এলাকার ইমরান মিয়া, বলেন,কালবৈশাখীর ঝড়ের কারণে ৪৮ ঘন্টা ধরে বিদ্যুৎহীন রয়েছি। বিদ্যুৎ না থাকায় খুব কষ্টের শেষ নেই। বাকুরচর এলাকার মেঘলা বলেন, ৪৮ ঘন্টা দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। মোবাইলের চার্জ ও নেটওয়ার্ক নেই। কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারছি না। কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ দ্রুত যেন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, “বৃহস্পতিবার সকালের ঝড়-বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ায় ৭টি খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলো মেরামতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে।”তিনি আরও জানান, কয়েকটি এলাকায় আংশিক বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা গেলেও জনবল সংকটের কারণে মেরামতকাজ বিলম্বিত হচ্ছে। তবে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কর্মীরা গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন।







