আমরা ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করি না, আমরা রাজনীতি করি আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মানুষের কল্যাণের জন্য
এস এম হোসেন আলী
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪১ রাত

আমরা রাজনীতি করি আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মানুষের কল্যাণের জন্য, আমরা রাজনীতি করি এদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার,ন্যায় বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ময়মনসিংহে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান নির্বাচনী সমাবেশে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন,দেশজুড়ে জামায়াতের গণজোয়ার সৃষ্টি হওয়ায় একটি রাজনৈতিক দল এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন দেখে তারা হতভম্ব।
৩ ফেব্রুয়ারি-২০২৬ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় নগরীর ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড.শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ জুলুম, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারেনি। কিন্তু আজ জনগণ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী সেই জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, যারা দিনের ভোট রাতে করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছে, যারা জনগণের অধিকার হরণ করেছে, তারা আজ ভয় পেয়েছে। কারণ মানুষ এখন আর প্রতারণা মেনে নিচ্ছে না। জামায়াতের শান্তিপূর্ণ গণজোয়ার তাদের সেই ভয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি দাবি করেন, যেখানে জামায়াত কাজ করার সুযোগ পেয়েছে, সেখানেই সৎ নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে। তাই জনগণ আজ আবার জামায়াতের দিকে ফিরে তাকাচ্ছে।
ড.শফিকুর রহমান বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, দেশ আজ এক কঠিন সময় পার করছে। অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে, তরুণরা বেকার, দ্রব্যমূল্য আকাশচুম্বী। অথচ ক্ষমতাসীনরা জনগণের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে উদাসীন। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন নৈতিক ও যোগ্য নেতৃত্ব।
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, কোনো উসকানিতে পা দেওয়া যাবে না। আমাদের আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও নৈতিকতার ভিত্তিতে। মানুষের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে ধৈর্য ও প্রজ্ঞার সঙ্গে।
জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এসময় তারা বলেন, ময়মনসিংহসহ সারা দেশে জামায়াতের জনসমর্থন অভূতপূর্বভাবে বাড়ছে, যা আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
জনসভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে সার্কিট হাউজ মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে।







