ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণের মূল আসামি গ্রেফতারের পর বাড়িতে আগুন দিল জনতা

এস এম হোসেন আলী
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৩৩ দুপুর
_original_1743658359.jpg)
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ঈদের দিন বেড়াতে নিয়ে গিয়ে দশ বছরের এক শিশুকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুর ২টায় মূল আসামি মোঃ দুলাল মিয়া(২৮)কে স্থানীয় ল্যাংড়ার বাজার নামক স্থান থেকে তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে দুলাল মিয়াকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতাকারী প্রতিবেশী মজিদ মিয়া (৪০)কে আটক করেছিল পুলিশ।
অভিযুক্ত দুলাল মিয়া নামা মহিষতারা গ্রামের মন্নেছ আলীর ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) ধর্ষণের শিকার ওই শিশুর ভাই বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে মুক্তাগাছা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয় লোকজন জানায়,ধর্ষণে অভিযুক্ত দুলাল মিয়া কে পালিয়ে যেতে সহায়তাকারী মজিদ মিয়াকে উত্তেজিত জনতা মারধর করে। এসময় মজিদের বাড়ি ও তার ভাই আতিকের দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়। বুধবার সকালে দুলাল ও সহায়তাকারী মজিদের বাড়িঘর ও দোকানে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, নামা মহিষতারা গ্রামের মোঃ দুলাল মিয়া মহিষতারা আহাম্মদিয়া এতিমখানার মাদ্রাসার নূরানি বিভাগের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। ঈদের দিনে বান্ধবীদের সঙ্গে বেড়াতে গেলে রাতে আর বাসায় ফেরেনি সে। পরের দিন প্রতিবেশী আব্দুর রহমানের বাড়িতে পাওয়া যায় তাকে।পরে বাড়ির নারী সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে দুলাল মিয়ার দ্বারা রাতভর ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। ধর্ষণের শিকার এই শিশুকে প্রথমে মুক্তাগাছা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ(মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে মূল অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় আরেক আসামি মজিদকে আটক করা হয়েছিল। আজ মূল অভিযুক্ত দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।মামলাটি খুবই স্পর্শকাতর।