ঢাকা, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১
শিরোনাম

ঘূর্ণিঝড়ে স্থগিত ১৯ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান হলেন যারা

  আরবান ডেস্ক

-

প্রকাশ :  ১০ জুন ২০২৪, ০৪:৩৫ সকাল

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের স্থগিত ২০টির মধ্যে ১৯ উপজেলার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোববার (৯ জুন) ১৮১ কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলে টানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এর মধ্যে শুধু পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ইভিএমে ভোট নেয়া হয়েছে। এই ১৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শেষ হয়েছে।

ভোটগ্রহণ চলাকালে নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলেও বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

উপজেলাগুলোতে তৃতীয় ধাপে ২৯ মে ভোটগ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু রেমালের কারণে তখন নির্বাচন স্থগিত করে কমিশন।

যারা নির্বাচিত হলেন-

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর): এ উপজেলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বায়জিদ আহমেদ খান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৬৭৮ ভোট।

পাথরঘাটা (বরগুনা): পাথরঘাটা উপজেলায় দোয়াত কলম প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী এনামুল হোসাইন ২৩ হাজার ৯৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। 

বামনা (বরগুনা): বামনায় আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান ১৭ হাজার ৬৯৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

লালমোহন (ভোলা): এ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক (বহিষ্কৃত) বর্তমানে আওয়ামী লীগের সমর্থক আক্তারুজ্জামান টিটব ২৫ হাজার ৩৯৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।  
তার নিকটতম প্রার্থী লালমোহন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আক্তার হোসেন পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫৬৭ ভোট।

তজুমদ্দিন (ভোলা): তজুমদ্দিন উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক দেওয়ান ২৪ হাজার ২৩১ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোশারেফ হোসেন দুলাল পেয়েছেন ২১ হাজার ৫১৭ ভোট।

পটুয়াখালী (সদর): পটুয়াখালীর সদরে জেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য মো. রেজাউল করিম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

দুমকি (পটুয়াখালী): এ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার আমিন হাওলাদার।

পাইকগাছা (খুলনা): পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস।

ডুমুরিয়া (খুলনা): ডুমুরিয়ায় চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য গাজী এজাজ আহমেদ। 

কয়রা (খুলনা): কয়রা উপজেলায় নির্বাচিত হয়েছেন জি এম মহসীন রেজা। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

গৌরনদী (বরিশাল): গৌরনদীতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন মিয়া। কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৪০ হাজার ৪৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীউপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারিছুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়েপেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯২৪ ভোট।

আগৈলঝাড়া (বরিশাল): আগৈলঝাড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক যতীন্দ্র নাথ মিস্ত্রি। দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত আনারস প্রতীক নিয়েপেয়েছেন ২৫ হাজার ৮৬৯ ভোট।

রাজাপুর (ঝালকাঠি): চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক জেষ্ঠ্য সহসভাপতি মিলন মাহামুদ বাচ্চু মৃধা। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২১ হাজার ৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আফরোজা আক্তার লাইজু, দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১৬ হাজার ২০ ভোট।

কাঠালিয়া (ঝালকাঠি): এ উপজেলায় দ্বিতীয় বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ মো. এমাদুল হক মনির। দোয়াত-কলম প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাঠালিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম কিবরিয়া সিকদার কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮১ ভোট।

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী): মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক খান মো. আবু বকর সিদ্দিকী আবারও জয়ী হয়েছেন। কাপ-পিরিচ মার্কা নিয়েতিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৮৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পরিষদের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম ঘোড়া মার্কা নিয়েপেয়েছেন ২০ হাজার ৮৯২ ভোট।

মোংলা (বাগেরহাট): পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি আবু তাহের হাওলাদার নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি চিংড়ি মাছ প্রতীকে ২৭ হাজার ৯০২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৪১৭ ভোট।

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট): পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, মোরেলগঞ্জ আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মো. লিয়াকত আলী খান নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৩৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক মো. মোজাম্মেল হক মোজাম দোয়াত-কলম প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২৬ হাজার ৭২৯টি।

শরণখোলা (বাগেরহাট): পরিষদে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি, বর্তমান চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন আকন শান্ত ফের নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ১৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান মিলন দোয়াত-কলম প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৮১৫ ভোট।

খালিয়াজুরী (নেত্রকোণা): উপজেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শামছুজ্জামান তালুকদার চেয়ারম্যান পদে জয় পেয়েছেন। কাপ-পিরিচ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৬০৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের ছোট ভাই কিবরিয়া জব্বার ঘোরা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৮ হাজার ১৫ ভোট।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত