নেত্রকোনায় হুমায়ুন আহমেদ এর ৭৭তম জন্মদিন পালিত
এ.কে.এম আব্দুল্লাহ, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৩০ দুপুর
_original_1763022604.jpg)
বরেণ্য কথা সাহিত্যিক, প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিশিষ্ট নাট্যকার ড. হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে নেত্রকোনায় আনন্দ শোভাযাত্রা, কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় ‘হিমু পাঠক আড্ডা’ এইসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
হুমায়ূন আহমেদের ৭৭তম জন্মদিন উপলক্ষে নিজ জেলা নেত্রকোনায় তার সৃষ্ট চরিত্র ছেলেরা হলুদ পাঞ্জাবী পড়ে হিমু এবং মেয়েরা নীল শাড়ি পড়ে রূপা সেজে স্থানীয় শহীদ মিনারে জড়ো হয়। সকাল ১১টায় শহীদ মিনার থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। আনন্দ শোভাযাত্রায় হিমু রূপাদের পাশাপাশি অসংখ্য কবি, লেখক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ করেন।
আনন্দ শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রট সুখময় সরকার ও জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সহ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী। আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারীরা হুমায়ুন আহমেদের বিভিন্ন নাটক ও সিনেমায় ব্যবহৃত জনপ্রিয় গানের সাথে নেচে গেয়ে আনন্দ শোভাযাত্রায় আনন্দ করতে করতে জেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মোক্তার পাড়া মুক্ত মঞ্চে এসে ৭৭তম জন্ম দিনের কেক কাটা হয়।
পরে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর নজরুল মঞ্চে হিমু পাঠক আড্ডার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলপনা বেগমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, হুমায়ুন আহমেদ ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি বাংলা সাহিত্যের পাশাপাশি নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণ করে দেশের মানুষের হৃদয় মন জয় করেছেন। তার সাহিত্য কর্মে হিমু রূপা চরিত্র সৃষ্টি করে নতুন প্রজন্মকে ব্যাপক ভাবে আকৃষ্ট করেছিলেন। ফলে নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাঁর সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের মধ্যে যুগযুগ ধরে মানবিকতা, কল্পনাশক্তি ও জীবনের সৌন্দর্য অনুধাবনের অনুপ্রেরণা জোগাবে। পরে গান নাচ ও আড্ডায় হুমায়ুন আহমেদকে স্মরণ করে মনেজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।







