কোরবানীর জন্য প্রস্তুত নেত্রকোনার মদনের সবচেয়ে বড় গরু কালু শাহ্

0
64

এ কে এম আব্দুল্লাহ, নেত্রকোণা প্রতিনিধি : শান্ত প্রকৃতি ও কালো রঙের হওয়ায় নাম রাখা হয়েছে ‘কালু শাহ্’। কালু শাহ্ লম্বায় সাত ফুট। ওজন প্রায় ২৪ মণ। বয়স তিন বছর এক মাস। কালু শাহ্ ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়। এবার কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য তাকে প্রস্তুত করা হয়েছে। নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলা সদরের ‘জয় মা মিষ্টান্ন ভান্ডার’-এর মালিক সুজন নাগ তার জাহাঙ্গীরপুরস্থ নদীর পাড়ের শ^শানঘাটের পাশ^বর্তী খামারে কালু শাহ্কে লালন পালন করছেন।
সুজন নাগ বলেন, তিন বছর এক মাস আগে আমার গরুর খামারেই কালু শাহ্’র জন্ম হয়। এরপর থেকে তাকে কোনো ক্ষতিকর ওষুধ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে লালন-পালন করা হচ্ছে। আদর করে নাম রাখা হয়েছে কালু শাহ্। মদন উপজেলায় গত প্রাণি সম্পদ মেলায় অন্যান্য ষাঁড়কে পিছনে ফেলে কালু শাহ্ ১ম স্থান অর্জন করে। কালু শাহ্ অনেক বড় গরু হওয়ায় আগ্রহ নিয়ে তাকে দেখতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এসে ভিড় করছেন। এবার কোরবানির ঈদে কালু শাহ্ই মদন উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি করেন সুজন নাগ। মাঝে মধ্যে ক্রেতারাও আসছেন ষাঁড়টি কিনতে। সুজন এই ষাঁড়টির দাম হাঁকছেন ৮ লাখ টাকা। কালু শাহ্’র মালিক সুজন বলেন, ষাঁড়টি দেখতে কালো এবং খুবই শান্ত প্রকৃতির। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের ডাক্তারদের পরামর্শক্রমে কোনো ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার ছাড়াই সম্পূর্ণ দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করছি। বর্তমানে ষাঁড়টির ওজন প্রায় ২৪ মণ। ষাঁড়টির দাম চাচ্ছি ৮লাখ টাকা, তবে আলোচনা সাপেক্ষে কম টাকায় বিক্রি করতে পারি। তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের শেষের দিকে তিনটি গাভি দিয়ে খামারটি শুরু করি। বর্তমানে আমার খামারে ১১টি গরু রয়েছে। এদের মধ্যে কালু শাহ্ নামক ষাঁড়টিকে এবার কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। আমার অবর্তমানে খামারের ম্যানেজার শ্রী গোপাল চন্দ্র দাস ও একজন কর্মচারী খামারটি দেখাশোনা করেন। মদন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মাসুদ করিম সিদ্দিকী বলেন, সুজন নাথের খামারে দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করা হচ্ছে। আমরা ষাঁড়টিকে নিয়মিত দেখাশোনা করছি। উপজেলায় এই ষাঁড়টিই সবচেয়ে বড়।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here